হাবিপ্রবিতে রি-এ্যাড হওয়ার নিয়ম

ব্যক্তিগত সহ বিভিন্ন কারণে প্রতিবছর হাবিপ্রবিতে অসংখ্য স্টুডেন্ট রি অ্যাড হয়ে থাকে।

তাদের সুবিধার জন্যে জানিয়ে দেয়া হচ্ছে রি-অ্যাড এর নিয়মাবলি :

 সংশ্লিষ্ট ডিন অফিসে রি-অ্যাড হওয়ার জন্যে একটি দরখাস্ত জমা দিতে হবে। এই দরখাস্তে তুমি কেন রি-অ্যাড হতে চাচ্ছ সেই কারন দেখাতে হবে।
সাধারণত স্টুডেন্টরা নিম্নের ২টি কারনের মাঝে যে কোন একটি কারন দেখিয়ে থাকে-
১। আর্থিক অস্বচ্ছলতা

২। নিজের অসুস্থতা
** আর্থিক অস্বচ্ছলতার ক্ষেত্রে জেলা পরিষদ/ পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন অফিস থেকে আর্থিক অস্বচ্ছলতার কাগজপত্র সত্যায়িত করে নিতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট থেকে।
** নিজের অসুস্থতার ক্ষেত্রে মেডিকেল অফিসার এর নিকট থেকে সত্যায়িত মেডিকেল সার্টিফিকেট ও প্রেসক্রিপশন জমা দিতে হবে।
** এই দরখাস্ত যে কোন সময়ই ডিন অফিসে জমা দেয়া যায়। তুমি ইচ্ছে করলে নতুনরা যখন ভর্তি হবে সেই সময় দিতে পারো। আবার ক্লাস শুরু হওয়ার প্রথম কয়েকদিনের মাঝেও দিতে পারো।


তবে ……… কেউ যখন রি-অ্যাড হবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়, তখন বোঝাই যায় সে তার পছন্দনীয় অন্য জায়গায়/বিষয়ে চান্স পায় নি। আর এটাই যেহেতু তার শেষ সুযোগ।সুতরাং ক্লাস শুরু হওয়ার সময়ের জন্যে দেরি না করে নতুনদের ভর্তির আগে- পিছে সময়ে দরখাস্ত জমা দেয়াটাই ভালো। অন্ততপক্ষে এতে নিজের ভেতর আর কোন ভয় থাকে না। কারন, একজন পূর্ব-রি- অ্যাড মাত্রই জানেন, এই সময়ে একটা স্টুডেন্ট এর ভিতরে কি চলে।

[বি.দ্র::: রি-অ্যাড হতে কোন টাকা লাগে না… শুধু সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় নির্ধারিত ফি এর সাথে রি-অ্যাড ফি জমা দিতে হয়]

হাবিপ্রবিতে নতুন হয়ে ফিরে আসা বিগত বছরের পূরণদের স্বাগতম আমাদের ক্যাম্পাসের সবুজ চত্বরে… স্বাগতম এই বর্ণিল সবুজ ছায়ায়। আমরা আছি তোমাদের অপেক্ষায়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s