রসায়ন হাইলাইটস – ১ম,২য় ও ৩য় অধ্যায়

রসায়ন হাইলাইটস –

 ১ম অধ্যায় :

১। লোহায় মরিচা ধরা – রাসায়নিক পরিবর্তন

২। লেবুতে বিদ্যমান – সাইট্রিক এসিড

৩। রসায়নের বিভিন্ন পরীক্ষার যন্ত্রপাতির মূলনীতি নির্ভর করে – পদার্থ বিজ্ঞানের উপর।

৪। – প্রাচীন রসায়ন বিদ্যার সূচনা মিশরে

৫। ডিএলএ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় – জীব বিজ্ঞানে

৬। ঘরের দরজা – জানালা বন্ধ করে কেরোসিন বাতি জ্বালানো উচিত নয় কেনো – বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয় বলে!

৭। অক্সিজেন + নাইট্রোজেন + কার্বন + ফসফরাস = সার

৮। – মোমে আগুন জ্বালালে এর গলন ভৌত পরিবর্তন

৯। = গাড়ি পেট্রোল দিয়ে চলা ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন।

১০। পsd”sszZSS”েট্রোল দহনে উৎপন্ন হয় – শক্তি

১১। কাঠের প্রধান রাসায়নিক উপাদান – সেলুলোজ

১২। শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টি করে – তেজস্ক্রিয় পSSS”SSDদার্থ

১৩। AEQAEQ, দেহ গঠনে প্রধান জটিল অনু – প্রোটিন

১৪। জৈব পার অক্সাইড এর ধর্ম – অস্থিত

১৫। ফলের মধ্যে থাকে জৈব এসিড

১৬। বৃত্তের উপর আগুনের শিখা প্রদান করে – Cl3

১৭। জটিল অনু – প্রোটন

১৮। খাদ্যোর প্রধান উপাদান – শ্বেতসার

১৯। সালোকসংশ্লেষণ মূলত – জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া

২০। আম পাকলে হলুদ হয় – হলুদ বর্ণধারী নতুন যৌগ সৃষ্টি হয় বলে

২১। পানীয় জলের উপাদান – ভুগর্ভস্থ জলাধার

২২। রাসায়নিক সারের প্রধান কাজ – উদ্ভিদ দেহের পুষ্টি সাধন।

২৩। কম্পিউটার ও ইলেকট্রনীয় সামগ্রীর কাঠামো প্রস্তুতকরণে ব্যবহৃত হয় প্রধানত – পরিমার বস্তু।

দ্বিতীয় অধ্যায় :

১। কোনটির ( সয়াবিন তেল / লুব্রিকেট তেল / দুধ / খাবার লবণ) ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – খাবার লবণ

২। আন্ত:আনবিক শক্তি কোন শক্তির বিপরীত? – গতি শক্তির

৩। মিথেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন গ্যাস গুলোর মধ্য কোনটির নি:সরণ হার কম – অক্সিজেন

৪। মোমবাতি দহনের সময় মোম কোনটির সাথে বিক্রিয়া করে – অক্সিজেন

৫। সাধারণ লবনের গলনাংক ও স্ফুটনাংক বেশি। কারণ – লবনের আন্ত:আনবিক শক্তি বেশি

৬। ব্যাপনের হার সবচেয়ে বেশি হয় – কণিকার ভর কম কিন্তু পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা বেশি হলে!

৭। বস্তুর ভর ও ঘনত্ব যত বেশি হয় ব্যাপন ও নি:সরণের হার – হ্রাস পায়

৮। মোমের দহনের ফলে – কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়।

৯। ব্যাপনের হার সবচেয়ে বেশি – H2

১০। গতিশক্তির মান আন্ত: কণা আকর্ষণ বল এর চেয়ে বেশি হলে পদার্থ কোন অবস্থা লাভ করবে – গ্যাসীয়

১১। কোনো পদার্থ কে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে – উর্ধবপাতন

১২। তাপ প্রয়োগে সরাসরি কঠিন থেকে বাষ্পে পরিণত হয় – কঠিন কার্বন-ডাই-অক্সাইড

১৩। সাধারণত চাপ ও উষ্ণতায় নিচের কোন পদার্থের আকার এবং আয়তন দুটোই নির্দিষ্ট থাকে – চিনি

১৪। তাপে পদার্থের পরিবর্তন ঘটে না – অণুর গঠন

১৫। তাপ প্রয়োগে কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হওয়া পদার্থকে কোন প্রক্রিয়ায় পুনরায় কঠিন পদার্থে পরিণত করা যায়? – শীতলীকরণ

১৬। পদার্থের কোন অবস্থায় অনু সমূহের গতিশক্তি সবচেয়ে বেশি – গ্যাসীয়

১৭। তাপ ও চাঁপের উপর নির্ভর করে পদার্থ কয়টি ভৌত অবস্থায় থাকতে পারে – ৩ টি

১৮। উদ্বায়ী পদার্থ – ইথার

১৯। পানির স্ফুটনাংক – ১০০ ডিগ্রি সে:

২০। প্রসারণশীলতা বেশি – চিনি/ পারদ পানি / অক্সিজেন গ্যাস – ©

২১। আমেনিয়া ও বায়ুর মিশ্রণ – ক্ষারধর্মী

২২। আন্ত:আনবিক শক্তি বা আকর্ষণ কম হলে দূরত্ব – বেড়ে যায়

২৩। পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেটক

ে পানিতে দ্রবীভূত করলে কী বর্ণ ধারন করে – বেগুনি

২৪। স্ফুটনাংক নির্ভর করে – আন্ত:আনবিক শক্তির উপর

২৫। মোম জ্বালালে কিসের পরিবর্তন – ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন

২৬। কোন পদার্থের গলনাংক ও স্ফুটনাংক কি – ভৌত ধর্ম

২৭। ব্যাপন ও নি:সরণ নির্ভরশীল – ভর ও ঘনত্বের

২৮। পানির হিমাংক – ০ ডিগ্রি সে :

২৯। বিশ্বের সবকিছু কে ২ টি ভাগে ভাগ করা যায় – পদার্থ ও শক্তি

৩০। দহন হচেছ বাতাসে অক্সিজেনের সাথে কোনো কিছুর বিক্রিয়া

৩১। কোন গ্যাস কে অধিক চাপে CNG তে পরিণত করা যায়? – মিথেন

৩২। আন্ত:আনবিক শক্তি – অনুসমূহের মধ্য আকর্ষণ

৩৩। উচ্চ চাপের অঞ্চল হতে নিম্ন চাপের অঞ্চলের দিকে গ্যাস অণুসমূহকে স্থানান্তরিত হওয়াকে কী বলে – ব্যাপন

৩৪। বাইরের চাপের উপর নির্ভর করে – স্ফুটনাংক

৩৫। কোনটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ – চুনাপাথর

৩৬। মোম একটি – জৈব যৌগ

৩৭। পাহাড়ের চূড়ায় ভাত রান্না করতে বেশি সময় লাগে কারন – পাহাড়ের চূড়ায় বায়ুর চাপ বেশি

৩৮। অ্যামোনিয়া গ্যাস বায়ুর সাথে মিশলে – লাল লিটমাস কে নীল করে।

৩৯। সিএনজিতে ব্যবহৃত গ্যাস – মিথেন

৪০। পানির মধ্যে তরল নীল বা কলমের কালি দিলে তা কোন প্রক্রিয়ায় মিশে যায় – ব্যাপন

৪১। দহন বিক্রিয়া সবসময় – তাপোৎপাদী হয়

৪২। পদার্থের গলনাঙ্ক, স্ফুটনাংক এবং ঘনত্ব – ভৌত ধর্ম

৪৩। লোহার গলনাঙ্ক – ১৫৪০ ডিগ্রি সে:

৪৪। আন্ত:আনবিক শক্তি বেশি – মোমের

৪৫। কঠিন হতে তরলে পরিণত করতে তাপমাত্রা পৌঁছাতে হয় – গলনাঙ্কে

৪৬। আন্ত:আনবিক শক্তি কম? ( পাথর / লোহা / পেট্রোল / কার্বন – ডাই – অক্সাইড © )

৪৭। কতো অ্যাটমোস্ফিয়ার চাপ কে স্বাভাবিক চাপ বলা হয় – এক

অধ্যায় – তৃতীয়

১। রাদারফোর্ড নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন ১৯১১ সালে

২। ভারী পানি ও পানিতে বিদ্যমান হাইড্রোজেনের আইসোটোপের পারমানবিক সংখ্যার অনুপাত -> ১:১

৩। চিকিৎসা ও কৃষিতে কোন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয় – 32p

৪। একটি ইলেকট্রন একটি প্রোটন হতে কতগুণ হালকা -> ১৮৪০ গুন

৫। ক্লোররিনের একটি পরমাণুতে কতোটি প্রোটন আছে? -> ১৭ টি

৬। হাঁড়ের ব্যথার চিকিৎসা ব্যবহার করা হয় -> 99Tc

৭। Lead প্রতীক – Pb

৮। খাদ্য সংরক্ষণে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধবংস করা হয় কোনটি দ্বারা – 60Co

৯। পরমানুর ঋনাত্মক কনিকা – ইলেকট্রন

১০। রাদারফোর্ড পরমানু কেন্দ্রের কি নাম দেন – নিউক্লিয়াস

১১। বোর মডেলেন উক্তি – নিউক্লিয়াস চারদিকে বৃত্তাকার স্থির কক্ষপথে ইলেকট্রন সমূহ ঘূর্ণায়মান।

১২। পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস ধারনা প্রধান করেন – রাদারফোর্ড

১৩। পরমাণুর ধনাত্মক কণিকা – প্রোটোন

১৪। পনমাণুতে শক্তিস্তর ধারণা দেন – নীলস বোর

১৫। পৃথিবীর বয়স নির্ণয় করা হয় – 14c দ্বারা

১৬। অক্সিজেনের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর – > 16

১৭। ইলেকট্রন সমূহ যে স্তরে ভ্রমণ করে তাকে বলা হয় – শক্তিস্তর

১৮। নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ পরমাণুর কতোভাগ – এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ

১৯। রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের উক্তি – নিউক্লিয়াস ধনাত্মক আধানের সমান সংখ্যক ঋনাত্মক আধান নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।

২০। গাইগার কাউন্টারে ব্যবহার হয় – 32P

২১। কোন মৌলে নিউট্রোন নাই – হাইড্রোজেন

২২। এক ফোটা পানি উত্তপ্ত কড়াইয়ে ছেড়ে দিলে কি ঘটে? – পানির অনুগুলো বিভক্ত হয়ে ছড়িয়ে যায়।

২৩। পরমাণুর সকল ভর কেন্দ্রীভূত থাকে – নিউক্লিয়াসে

২৪। রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় – 12P

২৫। স্বর্ণের পারমানবিক ভর -> 79

২৬। রাদারফোর্ড পরমাণু কেন্দ্রের নামকরণ করেন – a কণার বিচ্ছুরণ

২৭। H2SO4 এর আনবিক ভর -> 98

২৮। পরমাণুর কোন শেলে সর্বোচ্চ 32 টি ইলেকট্রন থাকতে পারে -> N শেলে

২৯। ইলেকট্রোন আবিষ্কার করেন – থমসন

৩০। নাইট্রোজেনের ইলেকট্রোন বিন্যাস – > ২.৫

৩১। তড়িৎ নিরপেক্ষ – নিউট্রোন

৩২। কেমোথেরাপি কি ব্যবহৃত হয় – তেজস্ক্রিয়

৩৩। কপার এর প্রতীক – Cu

৩৪। পরমাণুর প্রোটোন সংখ্যাকে বলা হয় – পারমানবিক সংখ্যা

৩৫। আয়রনের ল্যাটিন নাম – ফেরাম

৩৬। নাইট্রোজেন অণুতে পরমাণু – ২ টি

৩৭। আইসোটোপ সৃষ্টি হয় কোন সংখ্যার ভিন্নতার কারনে – নিউট্রোন

৩৮। বোরন মৌলের নামটি আসছে কোন ভাষা থেকে – আরবী ভাষা

৩৯। সোডিয়ামের ল্যাটিন নাম – Natrium

৪০। আইসোটনের কোনটি সমান – নিউট্রোন সংখ্যা

Advertisements

2 Comments

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s